টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ সমবেত সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় নববর্ষের অনুষ্ঠানমালা। ছবি: প্রথম আলো।টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ সমবেত সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় নববর্ষের অনুষ্ঠানমালা। ছবি: প্রথম আলো।টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘কুমুদিনী পরিবার’ বরণ করে নিয়েছে নতুন বছরকে। পয়লা বৈশাখের সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ সমবেত সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় নববর্ষের অনুষ্ঠানমালা। 
হোমসের সবুজ চত্বরে মুক্তমঞ্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য, নাটিকাসহ নানা আয়োজন ছিল। আর এসবের ফাঁকে ফাঁকে চলে শুভেচ্ছা-জ্ঞাপন পর্ব। মঞ্চে এসে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতি সাহা, প্রতিভা মুৎসুদ্দি, প্রদীপ রায়, প্রতিভা হালদার প্রমুখ। বক্তারা প্রত্যেকে দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন। 
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘কুমুদিনী পরিবার’ বরণ করে নিয়েছে নতুন বছরকে। ছবি: প্রথম আলো।টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘কুমুদিনী পরিবার’ বরণ করে নিয়েছে নতুন বছরকে। ছবি: প্রথম আলো।ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষক হেনা সুলতানা জানান, এখানে বর্ষবরণের রেওয়াজ অনেক পুরোনো। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সপ্তাহখানেক আগে থেকেই শুরু হয় উৎসবের আমেজ। নাচ-গানের মহড়া চলতে থাকে। বর্ষবরণের আগের দিন বিকেলে পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে আয়োজন করা হয় ছোট আকারের অনুষ্ঠানের। সব আয়োজনের সঙ্গে থাকেন হোমসের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এখানে নারীদের নেতৃত্বে, নারীদের পরিবেশনায় নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়।

0 কমেন্ট:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Top